তারই ফলে এই অসামান্য গ্রন্থটি রচিত হতে পেরেছে।
ইদানীং বহু গল্প উপন্যাস লিখিত হলেও তাদের অধিকাংশই সাধারণ পাঠকের তৃষ্ণা মেটাতে প্রবলভাবেই ব্যর্থ। এই ব্যর্থতার প্রথম কারণ সম্ভবত অতি চেষ্টিত ফর্ম। ফর্মের অতি দুর্বোধ্য জটিলতায় অনেক সময়েই হারিয়ে যায় মূল কাহিনীর আবেদন। সহজ সরল ভাষা ও ফর্মেও যে জীবনের অতল গভীরতা স্পর্শ করা যায় তার আশ্চর্যজনক নিদর্শন ‘তিন অধ্যায়’। সন্তোষ বিশ্বাসের আত্মজীবনীমূলক এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সুখময় সিংহ। তিনটি অধ্যায়ে বিভক্ত এই উপন্যাসের প্রথম অধ্যায়ে আছে গ্রামবাংলার কথা। দ্বিতীয় অধ্যায়ে আছে অর্ধশতাব্দী আগের মধ্যবিত্ত কলকাতার কিছু প্রতিচ্ছবি এবং তৃতীয় অধ্যায়ে নায়কের কর্মজীবনের ইতিবৃত্ত। জীবনের অসংখ্য হার্ডল অতিক্রম করতে করতে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে উপন্যাসের নায়ক
প্রশ্নাতীত। ‘রাত্রির জঠর থেকে’ কাব্য নাট্য সংকলনে রয়েছে সাতটি কাব্যনাট্য। এই কাব্যনাট্যের যাত্রা শুরু ইওলিথিক যুগের গুহা সভ্যতা থেকে। জঠরের অন্ধকার ভেদ করে মনস্ক পাঠককে তিনি একসময় পৌঁছে দেন রক্তিম উষার আলোয়। শরীরী এক মাত্রিকতায় নয়
কৃতী মানুষটিকেও ‘বাবামশায়’ বলে আবিষ্কার করেছেন। স্পর্শ করেছেন রবীন্দ্রনাথের বেদনা
বরং খুঁজে নিয়েছেন নিজেরই অনাবিষ্কৃত নতুন কবিতা পথ। এখানেই তিনি স্বতন্ত্র। তাঁর এই স্বাতন্ত্র্যতা শুধু কবিতার বিষয়ভূমিতে নাম-না-জানা ফুল ছড়ানো নয়
প্রবাসী সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন তারই ফলে এই অসামান্য গ্রন্থটিPrabasik Sahityeek : : 224 , .. , . . , , , (cm) : 14 (l) X 22 (b) X 2 (h)