গল্প লেখার জন্য একটি অন্তরঙ্গ ভাষা আয়ত্ত করেছেন রাহুল রায়। অনাবিল সে গদ্যের ভাষা। আপাত সহজ ভঙ্গিমায় লেখা তাঁর গল্পগুলোতে অথচ ধরা রয়েছে জটিল সময়ের টানাপোড়েনময় বহু টুকরো টুকরো ঘটনা এবং তার বিশ্লেষণ। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে সমাজচিত্র আঁকার পাশাপাশি এই গ্রন্থের গল্পগুলোতে মানুষের মনোজগতের গভীর প্রদেশের ছবিও এঁকেছেন দক্ষ শিল্পীর মতো। 'ফলেন কমরেড' গল্পটিতে সাতের দশকের রাজনীতি এবং সে রাজনীতি ঘিরে একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত পরিবারের সংকটকে অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বর্ণনা করেছেন লেখক। সত্তরের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তার পরবর্তী সময়ের নানা ঘটনা ঘুরেফিরে এসেছে তাঁর গল্পে। এই গ্রন্থের অন্যতম গল্প ‘শ্রীচরণেষু বাবা’ গল্পটি প্রবাসী বাঙালি জীবনে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি এবং ভারতীয় মূল্যবোধের প্রভাব সংক্রান্ত। গল্পটিতে নিপুণ দক্ষতায় বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন চরিত্রের মনস্তত্ত্ব। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পের মধ্যে রয়েছে 'বিজনবাবু আর্টিস্ট’
‘একা এবং 'অনেকে’
নৌকো ও উদ্যোগ।
পৃষ্ঠা : 87
যতটুকু লাগে ততটুকু নিই। বেশি কথাবার্তার মধ্যে যাই না। বিষয়গুলো প্রায় পদ্যের পড়োশি তাকে প্রয়োজন মত গল্পাকার দেওয়া। কেউ যদি তাদের গল্প না বলেন তো আমার কিছুই করার নেই।' যেমন
আত্মহত্যার অধিকার এবং অন্যান্য সনদ প্রবীরকুমার দত্ত গল্প লেখার জন্য একটি অন্তরঙ্গAtmahatyar Adhikar Ebong Anyanya Sanad : : 408 , , , , , , , , , , , , , , , (cm) : 15. 6 (l) X 23. 8 (b) X 2. 5 (h)