এই সূত্রেই ব্রজেন্দ্রচন্দ্রের স্বাতন্ত্র ও সাফল্যকে অস্বীকার করার জো নেই।
বিদ্যাসাগর সর্বাগ্রগণ্য। এমনকি তাঁর স্থান রবীন্দ্রনাথেরও ওপরে। রবীন্দ্রনাথ বিশ্বকবি
প্রকৃত ভ্রমণ শুরুর আগেই শুরু হয় অন্য পরিভ্রমণপর্ব। যার মূল উদ্দেশ্য ভ্রমণের পাথেয় জোগাড়। কী অকপট ভঙ্গিতে লেখক সে-সবের বর্ণনা দিয়ে যান। যেন তিনি এক নৈর্ব্যক্তিক দৃষ্টি দিয়েই দেখছেন নিজেকে। এই নৈর্ব্যক্তিকতার ছোঁয়া বইটির প্রতি পাতায়। সেইসঙ্গে মাঝেমাঝেই নস্ট্যালজিক-অনুষঙ্গ। শহর
ঝরে পরে অসংখ্য সব চাওয়া আর একান্ত কিছু পাওয়ার গল্প। বাঁচা নামক এই আকস্মিকের খেলার মধ্যেই অতীত এসে ছায়া ফেলে
পাঠক সেই গন্ধের ভাগীদার। রূপকথারা স্বপ্ন তৈরি করে। স্বপ্ন আছে বলেই বেঁচে থাকা। আকর্ষণীয় এই উপন্যাসটির শেষ লাইনেও সেই স্বপ্ন
গোপনীয় কোজাগরী অনসূয়া রায়চৌধুরী এই সূত্রেই ব্রজেন্দ্রচন্দ্রের স্বাতন্ত্র ওGoponio Kojagori 64 ' ? ? ? ? , , , , , , , , , , , , , ,