কথা বলার ভঙ্গিতে উৎপলকুমার বসুর কাব্য সংকেত ধরা পড়েছে ছোটো ছোটো এইসব লেখাগুলিতে। সব মিলিয়ে কবিকেও। এই বই তাই শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেছে উৎপলকুমার বসু-র কবিতায় প্রবেশের এক সদর দরজা।
যাঁরা বঙ্কিমচন্দ্রকে পছন্দ করেন
নাট্য-সাহিত্যে-সর্বত্রই তিনি মানবজীবনের অনিবার্য মুক্তিসাধনার কথাই বলেছেন।
আত্মার যে স্পন্দন অনুভূত হয়— এ গ্রন্থে অনুদিত ত্রয়ী উপনিষদের সীমার মধ্যে ছন্দানুবাদের মাধ্যমে সহজ ভাবে তা ব্যক্ত হয়েছে।প্রাঞ্জলতায় ও ছন্দসুষমায় এ গ্রন্থ হয়ে উঠতে পারে পাঠকের দুরূহ পথের প্রিয় সফরসঙ্গী।
আর কাড়া- নাকাড়ার প্রতিরোধে গর্জে ওঠে শ্রমজীবী মানুষের বজ্র নির্ঘোষ—“হুল মাহা-হো
নাট্যলোকে রবীন্দ্রনাথ জ্যোতির্ময় দত্ত কথা বলার ভঙ্গিতে উৎপলকুমার বসুরNatyaloke Rabindranath : : 224 , , , , , , , , (cm) : 14 (l) X 21. 5 (b) X 2 (h)